অজানাকে জানার লক্ষে...

Friday, 11 September 2015

প্রকৃতির বিস্ময় দার্জিলিং স্বল্প খরচে কিভাবে যাবেন

darjeeling1
দেশ দেখে বেড়ানোটা আনন্দের। কিন্তু সেটা যদি হয় আর্থিক সঙ্গতির মধ্যে, তবেই তা সম্ভব। বিভিন্ন মানুষের দেশ দেখে বেড়ানো বিভিন্ন রকম। বিলাসবহুল জীবনযাপন যারা করেন তারা একটু আভিজাত্যের ছাপ রেখেই দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে বেড়ান। কিন্তু সবার সঙ্গতি তো আর সমান নয়। আর সমান নয় বলেই কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে না?
যাবে। অবশ্যই যাবে। চারদিক থেকে নিজের আভিজাত্যকে একটু কাটছাঁট করে নিলেই তা সম্ভব। স্বল্প খরচে, অল্প আরামে মনটাকে মানিয়ে নিতে পারলেই আমাদের চোখের সামনে খুলে যাবে সৃষ্টির অনেক অজানা দুয়ার। আর সেই দুয়ার খুলেই চলুন চট করে বেড়িয়ে আসা যাক, হিমালয়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ছবির মতো সুন্দর স্বপ্নপুরী দার্জিলিং থেকে।
darjeeling
কিভাবে যাবেন?
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিভোর নগরী পাহাড়ে ঘেরা অপূর্ব চিরহরিৎ ভূমির দার্জিলিংয়ে স্থলপথে রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি দার্জিলিং যেতে চাইলে উত্তরবঙ্গের বুড়িমারি সীমান্ত অতিক্রম করে যাওয়াটাই সবচেয়ে সুবিধাজনক। ঢাকার গাবতলী থেকে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে উত্তরবঙ্গের বুড়িমারী সীমান্তের উদ্দেশে। ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস থেকে পাসপোর্টে নির্দিষ্ট সময়ের ভিসা নিয়ে রাত ১০টার সুপার সেলুন চেয়ার কোচে উঠে পড়–ন বুড়িমারী সীমান্তের উদ্দেশে। ভাড়া জনপ্রতি আর কত সামর্থের মধ্যেই।
ভোর ৭টা নাগাদ আপনি অনায়াসে পৌঁছে যাবেন বুড়িমারী চেকপোস্টে। ইমিগ্রেশন অফিসের কাছেই সব বাস থামে। প্রাতঃরাশ সম্পন্ন করে ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পন্ন করে নিন ভ্রমণ কর ও কাস্টমসের সব প্রক্রিয়া। অবশ্য আপনি চাইলে ঢাকা থেকেই ভ্রমণ কর প্রদান করে যেতে পারেন সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায়। বুড়িমারী অতিক্রম করে ওপারে চ্যাংড়াবান্দা সীমান্তে পৌঁছে একইভাবে সম্পন্ন করে নিন আপনার ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের সব প্রক্রিয়া। ও ভালো কথা, আপনার বহনকৃত ইউএস ডলার চ্যাংড়াবান্দায় অবস্থিত সরকার অনুমোদিত ডিলারদের কাছ থেকেই ভারতীয় মুদ্রায় পরিবর্তন করে নেবেন। অন্যথায় পরবর্তী সময়ে টাকা ভাঙাতে আপনাকে বেশ বেগ পেতে হবে।
চ্যাংড়াবান্দা থেকে সরাসরি ময়নাগুড়ির বাস ধরে দেড় ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন শীর্ষেন্দু-সমরেশের উপন্যাসখ্যাত শিলিগুড়ি জিপ স্টেশনে। ভাড়া জনপ্রতি ৭০ ভারতীয় রুপি। সেখান থেকে ঝটপট ১২০ ভারতীয় রুপির বিনিময়ে সংগ্রহ করে নিন দার্জিলিংগামী কমান্ডার জিপের টিকিট। হাতে শীতের পোশাক নিয়ে বসে পড়–ন আপনার নির্ধারিত আসনে। ব্যস, মাত্র আড়াই ঘণ্টায় আপনি পৌঁছে যাবেন মেঘের দেশ স্বপ্নিল ভুবনের দার্জিলিংয়ে।
তাছাড়া কলকাতা থেকে যেতে চাইলে আপনাকে শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দার্জিলিং মেল ধরতে হবে। টিকিট সংগ্রহ করবেন ট্যুরিস্টদের জন্য নির্ধারিত কাউন্টার ফেয়ারলি প্যালেস থেকে। অতঃপর প্রায় ৫৭৬ কিলোমিটার অর্থাৎ ১৪ ঘণ্টার এক ট্রেন ভ্রমণ করে পরদিন সকাল ১০টা নাগাদ নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে যাবেন। স্টেশন থেকে প্রাতঃরাশ সম্পন্ন করে রিকশাযোগে চলে আসুন শিলিগুড়ি জিপ স্টেশনে। ১০-১২ রুপি ভাড়া পড়বে। সেখান থেকে ওই কমান্ডার জিপে চড়ে পৌঁছে যেতে পারেন স্বপ্নপুরী দার্জিলিংয়ে।
1408683091.
কোথায় থাকবেন?
পুঞ্জীভূত মেঘের কণা ভেদ করে আঁকাবাঁকা পথের ধারে পুরো দার্জিলিং শহরে রয়েছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হোটেলে প্রতিদিনের থাকা এবং খাওয়াসহ জনপ্রতি ভাড়া প্রায় ৮৫০-১২০০ রুপি করে। প্রায় প্রতিটি হোটেলেই রয়েছে দর্শনীয় স্থানসমূহ ঘুরে বেড়ানোর জন্য আকর্ষণীয় জিপ, সার্বক্ষণিক গরম পানির ব্যবস্থা, ঠাণ্ডা প্রতিরোধে ওষুধসহ যে কোন মুহূর্তে যে কোন সমস্যার তাৎক্ষণিক সেবা।
খাবার-দাবার
ট্যুরিস্টদের জন্য হোটেলগুলোতে সব ধরনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে পুষ্টিকর ও রুচিসম্মত খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অসংখ্য ট্যুরিস্টের আগমনের ফলে এখানকার হোটেল মালিকরা বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় একেবারে বাঙালি রুচিসম্মত খাবার-দাবারের জোগান দিয়ে থাকেন। ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ এবং ডিনার ছাড়াও হোটেল কর্তৃপক্ষ ভোরবেলায় বেড-টি এবং ডিনারের আগে ইভনিং-টি’র ব্যবস্থাও করে থাকেন।
darjeeling-toy-train
কোথায় বেড়াবেন?
ছোট বড় মিলিয়ে বেড়ানোর জন্য প্রায় ১৭টি আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে দার্জিলিং জুড়ে। পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত রেলওয়ে স্টেশন ‘ঘুম’ ছাড়াও আরও যেসব দর্শনীয় স্থান দেখে আপনার আনন্দময় অভিজ্ঞতা অর্জিত হবে তা হচ্ছে;
সমুদ্র-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০,০০০ ফুট উঁচু পাহাড়ের চূড়া থেকে অপূর্ব সুন্দর সূর্যোদয় দেখা। পৃথিবীর বিখ্যাত প্রার্থনা-স্থান ঘুম মোনাস্ট্রি। ছবির মতো অপূর্ব সুন্দর স্মৃতিসৌধ বাতাসিয়া লুপ বিলুপ্ত-প্রায় পাহাড়ি বাঘ Snow Lupard খ্যাত দার্জিলিং চিড়িয়াখানা। পাহাড়ে অভিযান শিক্ষাকেন্দ্র ‘হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট’।
সর্বপ্রথম এভারেস্ট বিজয়ী তেনজিং-রক- এর স্মৃতিস্তম্ভ। কেবল কারে করে প্রায় ১৬ কিলোমিটার এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে ভ্রমণ।
হ্যাপি ভ্যালি টি গার্ডেনে বসে তাৎক্ষণিকভাবে পৃথিবীখ্যাত ব্ল্যাক টি পানের অপূর্ব অভিজ্ঞতা।
যুদ্ধবিধ্বস্ত শরণার্থী কেন্দ্র তিব্বতিয়ান সেলফ হেলপ্ সেন্টার। সমুদ্র-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত মনোরম খেলাধুলার স্থান দার্জিলিং গোরখা স্টেডিয়াম।
নেপালি জাতির স্বাক্ষর বহনকারী দার্জিলিং মিউজিয়াম। পৃথিবীর বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার জাপানিজ টেম্পল ব্রিটিশ আমলের সরকারি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র কাউন্সিল হাউস ‘লাল কুঠির’ অসাধারণ শৈল্পিক নিদর্শন খ্যাত ‘আভা আর্ট গ্যালারি’। শতবর্ষের প্রাচীন মন্দির ‘দিরদাহাম টেম্পল’। এসব নিদর্শন ছাড়াও আপনার মনের চিরহরিৎ জগতকে শুধু আনন্দময় নয়, এক নতুন জীবনের যাত্রা শুরু করাতে চলে যেতে পারেন পাথর কেটে তৈরি ‘রক গার্ডেন’ এবং গঙ্গামায়া পার্কে উপরোল্লিখিত দর্শনীয় স্থানগুলো ছাড়াও আপনার হদয় গহিন থেকে রোমাঞ্চিত করবে মহান সৃষ্টিকর্তার বিশাল উপহার হিমালয় কন্যা ‘কাঞ্চন-জংঘা’, বিশুদ্ধ পানির অবিরাম ঝর্ণাধারা ‘ভিক্টোরিয়া ফলস্’ এবং মেঘের দেশে বসবাসরত এক সুসভ্য জাতির সংস্কৃতি।
darjeeling-bigimage
কেনাকাটা
দার্জিলিং শহরের লাডেন-লা রোডের কোল ঘেঁষে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় মার্কেট। দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহার্য প্রায় সব জিনিসই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার ক্রয়- ক্ষমতার মধ্যে। সবচেয়ে ভালো পাবেন শীতের পোশাক। হাতমোজা, কানটুপি, মাফলার, সোয়েটারসহ যে কোন প্রকারের লেদার জ্যাকেট পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দমতো মূল্যে। তাছাড়া ১০০ থেকে ৫০০ রুপির মধ্যে পেয়ে যাবেন অসাধারণ কাজ করা নেপালি শাল এবং শাড়ি যা আপনার পছন্দ হতে বাধ্য। প্রিয়জনকে উপহার দিতে সর্বনিু ২০ রুপি থেকে ২৫০ রুপির মধ্যে পেয়ে যাবেন বিভিন্ন অ্যান্টিক্স ও নানাবিধ গিফট আইটেম, যা আপনার প্রিয়জনের ভালোবাসা কেড়ে নিতে সক্ষম। তাছাড়া আকর্ষণীয় লেদার সু আর বাহারি সানগ্লাস তো আছেই। কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রতারিত হওয়ার আশংকা একেবারেই নেই। তবে হোটেলগুলোতে কিছু নেপালি তরুণ-তরুণী ভ্রাম্যমাণ ফেরি করে শাল, শাড়ি বিক্রয় করে থাকে। তাদের কাছ থেকে না কেনাটাই উত্তম।
ঝুঁকি
মানুষের জীবনটাই একটা বড় ঝুঁকি। তার পরেও সাবধানতা অবলম্বন করে ঝুঁকি এড়িয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকার প্রয়াস পেয়েছে মানুষ দীর্ঘকাল। দার্জিলিং ভ্রমণেও ছোটখাটো কিছু ঝুঁকি রয়েছে। মাঝে-মাঝেই পাহাড়ি অঞ্চলে ছোটখাটো ধস নামে। তবে সেটা বেশি হয় বর্ষা মৌসুমে। শীত বা গরমে সে ঝুঁকিটা একেবারেই নেই। আর গরম জামাকাপড় ব্যবহারে অবহেলা না করলে ঠাণ্ডা লাগার ঝুঁকিটাও কমে যায় একেবারেই। তাছাড়া হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সবরকম বিষয়ে পরামর্শ করে চলাফেরা করলে স্থানীয় দালাল বা হারিয়ে যাওয়ার আশংকা থেকেও আপনি পেয়ে যাবেন পুরোপুরি মুক্তি।
মোট খরচ
স্বল্প খরচে, অল্প আরামে মনটাকে মানিয়ে নিতে পারলে শীত মৌসুমে মাত্র ১০,০০০ টাকার মধ্যেই আপনি সেরে নিতে পারেন স্বপ্নপুরী দার্জিলিং দেখার যাবতীয় কার্যক্রম। ভালো কথা, এ হিসাবটা শুধু বুড়িমারী সীমান্ত পথের। কলকাতার শিয়ালদহ হয়ে গেলে এ হিসাব বেড়ে দাঁড়াবে সর্বসাকুল্যে ১৫০০০ টাকায়। আমাদের দেশে রয়েছে অসংখ্য ট্যুরিজম কোম্পানি, যারা দার্জিলিংসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করে থাকে।
1408683544.
আশপাশে
দার্জিলিং শহর থেকে কিছুটা দূরে নেপাল শহরের নিকটবর্তীতে অবস্থান করছে মিরিক লেক ও পশুপতি মার্কেট। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টার মধ্যে জনপ্রতি ৪৫০ রুপি ভাড়ার মধ্যে আকর্ষণীয় জিপে ঘুরে আসতে পারেন। সেজন্য অবশ্য আরও একটি দিন বেশি অতিবাহিত করতে হবে দার্জিলিং শহরে। তবুও যাত্রার দিন থেকে নিয়ে সর্বমোট ৫ দিনেই সবকিছু ঘুরে-ফিরে আসতে পারবেন আপনার প্রিয়জনদের মাঝে অপূর্ব স্বপ্নিল অভিজ্ঞতা নিয়ে।
----(Collected)

Wednesday, 2 September 2015

নভোএয়ারে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে !!!

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
http://banglanews24.com/fullnews/bn/421990.html

x

Decrease fontEnlarge font
ঢাকা: এই প্রথম দেশের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে উড়াল দেওয়ার সুযোগ এনে দিলো নভোএয়ার। ‌এর ফলে একই ফ্লাইটে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট বা যশোর, অথবা যশোর থেকে চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যাওয়া যাবে। এর আগে এভাবে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে উড়াল দেওয়ার জন্য সরাসরি কোনো ফ্লাইট ছিলো না।
novo_air_01
মঙ্গলবার যশোর থেকে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম যাত্রার মধ্য দিয়ে নভোএয়ারের নতুন এই সার্ভিসটি চালু হয়েছে।

এয়ারলাইনসটির ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) একেএম মাহফুজুল আলম বাংলানিউজকে বলেন, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে যশোর থেকে ছেড়ে ‍আসা ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছে। সকাল ১০টায় সেটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে উড়াল দেয়।

দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে উড়াল দিতে মাত্র ৬ হাজার টাকা ভাড়া গুণতে হবে বলেও জানান মাহফুজুল আলম।

যে কোনো ট্রাভেল এজেন্সি বা নভোএয়ার এজেন্ট এর মাধ্যমে এসব ফ্লাইটের টিকিট পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট রুটগুলোতে ফ্লাইট আছে প্রতিদিনই। 
Courtesy by বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'


Fly Through :: Fly from Country's One End to Another...
For more information call +8801755656660-72 or 13603
#flythrough #novoair

কিভাবে হেলিকপ্টার ভাড়া করবেন বিস্তারিত জেনে রাখুন….?????

বাংলাদেশেও এখন জরুরি প্রয়োজন, রোগী পরিবহন কিংবা শখের ভ্রমণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে। কিন্তু কোথা থেকে কিভাবে ভাড়া নেবেন হেলিকপ্টার? আর ভাড়াই বা কত? এসব খোঁজখবর জানাচ্ছেন ইফতেখার শুভ
দেশে বেশ কয়েকটি কম্পানি রয়েছে, যারা বাণিজ্যিকভাবে হেলিকপ্টার ভাড়া দেয়। এসব হেলিকপ্টার সাধারণত তিন থেকে সাতজন যাত্রী পরিবহন করে। কম্পানিভেদে হেলিকপ্টার ভাড়ার তারতম্য রয়েছে।

বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস্ লিমিটেড :
বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস্ লিমিটেডের ছয়জন যাত্রী বহনে সক্ষম বেল-৪০৭ হেলিকপ্টারের জন্য ভাড়া গুনতে হবে প্রতি ঘণ্টায় এক লাখ টাকা। আর তিনজন যাত্রী বহনে সক্ষম রবিনসন আর-৪৪-এর ভাড়া ঘণ্টাপ্রতি ৬০ হাজার টাকা। সব ভাড়ার সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট সংযুক্ত করতে হবে। যোগাযোগ-বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস্ লিমিটেড ৬৮/১ গুলশান এভিনিউ, গুলশান-১
ঢাকা। ফোন: ৯৮৮৫৭৭১-২, ৯৮৫৬৯৬৩-৪ স্কয়ার এয়ার লিমিটেড
স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের ছয়জন যাত্রী বহনে সক্ষম বেল-৪০৭ হেলিকপ্টারের ভাড়া প্রতি ঘণ্টায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। আর চারজন যাত্রী বহনে সক্ষম রবিনসন আর-৬৬-র ভাড়া ঘণ্টাপ্রতি ৭৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রতি ঘণ্টায় ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ ছয় হাজার টাকা। সেই সঙ্গে প্রতি ফ্লাইটে ইনস্যুরেন্স খরচ দুই হাজার টাকা।
যোগাযোগ- স্কয়ার এয়ার লিমিটেড, স্কয়ার সেন্টার, ৪৮ মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ০১৭১৩১৮৫৩৫২
সিকদার গ্রুপ
সিকদার গ্রুপের তিনটি হেলিকপ্টার আছে হল বেল-৪০৪, আর-৬৬ ও আর-৪৪ সাত সিটের হেলিকপ্টার ভাড়া ঘণ্টায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। তিন সিটের ভাড়া ঘণ্টায় ৭২ হাজার টাকা। সঙ্গে ভ্যাট ১৫ শতাংশ। প্রতি ঘণ্টায় ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ দিতে হবে সাত হাজার টাকা। যোগাযোগ-সিকদার গ্রুপ
রাজ ভবন, দ্বিতীয় তলা, ২৯ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ৯৫৫০২৭১ সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্
সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ সাধারণ কাজের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া প্রতি ঘণ্টা ৫৫ হাজার টাকা। কিন্তু সিনেমার শুটিং, লিফলেট বিতরণসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজের জন্য ভাড়া ৩০ শতাংশ বেশি। ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ প্রতি ঘণ্টার জন্য পাঁচ হাজার টাকা। এ ছাড়া পুরো খরচের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। এই কম্পানি থেকে ন্যূনতম ৩০ মিনিটের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া নেওয়া যায়। জ্বালানি খরচ, ইনস্যুরেন্সসহ বাকি সব কিছু কম্পানিই বহন করে থাকে। যোগাযোগ-সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ লিমিটেড টাওয়ার হেমলেট
১৬ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোন : ০২ ৯৮৮০৪৯৬ ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড
ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড থেকে সর্বনিম্ন ১ ঘণ্টার জন্য ভাড়া নেওয়া যাবে ৬ আসনবিশিষ্ট ইসি ১৩০বি-৪ হেলিকপ্টার। প্রতি ঘণ্টার জন্য গুনতে হবে এক লাখ টাকা। সেই সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। ভূমিতে প্রতি ঘণ্টার জন্য চার্জ ৫ হাজার টাকা। যোগাযোগ- ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড ৪০ শহীদ তাজউদ্দীন সরণি, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন: ০১৭২৯২৫৪৯৯৬
আরো যাদের বাণিজ্যিক ব্যবহারের হেলিকপ্টার আছে
পিএইচপি গ্রুপ, বাংলা ইন্টারন্যাশনাল, বিআরবি কেব্ল্, মেঘনা গ্রুপ, ইয়াং ইয়াং (আরিয়ান) গ্রুপ, এমএস বাংলাদেশ প্রভৃতি।সাধারণ নীতিমালা
সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আবেদনের সময় হেলিকপ্টার চার্জের ৫০ ভাগ পরিশোধ করে বাকি টাকা পরিশোধ করতে হয় হেলিকপ্টার উড্ডয়নের আগে। হেলিকপ্টার উড্ডয়নের ৪৮ ঘণ্টা আগে সিভিল এভিয়েশনকে জানাতে হয়। কারণ হেলিকপ্টারের নির্দিষ্ট কোনো রুট নেই। এ কারণে কোনো হেলিকপ্টার আকাশে উড্ডয়ন করলে টাওয়ারকে প্রস্তুত রাখতে হয়, যাতে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। তবে জরুরি হলে ৫, ১০, ১৫ মিনিট এমনকি এক ঘণ্টার মধ্যেও অনুমতি দেওয়া হয়।
সিকদার গ্রুপ
সিকদার গ্রুপের তিনটি হেলিকপ্টার আছে হল বেল-৪০৪, আর-৬৬ ও আর-৪৪ সাত সিটের হেলিকপ্টার ভাড়া ঘণ্টায় এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। তিন সিটের ভাড়া ঘণ্টায় ৭২ হাজার টাকা। সঙ্গে ভ্যাট ১৫ শতাংশ। প্রতি ঘণ্টায় ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ দিতে হবে সাত হাজার টাকা। যোগাযোগ-সিকদার গ্রুপ
রাজ ভবন, দ্বিতীয় তলা, ২৯ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন : ৯৫৫০২৭১ সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্
সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ সাধারণ কাজের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া প্রতি ঘণ্টা ৫৫ হাজার টাকা। কিন্তু সিনেমার শুটিং, লিফলেট বিতরণসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক কাজের জন্য ভাড়া ৩০ শতাংশ বেশি। ভূমিতে অপেক্ষমাণ চার্জ প্রতি ঘণ্টার জন্য পাঁচ হাজার টাকা। এ ছাড়া পুরো খরচের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। এই কম্পানি থেকে ন্যূনতম ৩০ মিনিটের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া নেওয়া যায়। জ্বালানি খরচ, ইনস্যুরেন্সসহ বাকি সব কিছু কম্পানিই বহন করে থাকে। যোগাযোগ-সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস্ লিমিটেড টাওয়ার হেমলেট
১৬ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোন : ০২ ৯৮৮০৪৯৬ ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড
ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড থেকে সর্বনিম্ন ১ ঘণ্টার জন্য ভাড়া নেওয়া যাবে ৬ আসনবিশিষ্ট ইসি ১৩০বি-৪ হেলিকপ্টার। প্রতি ঘণ্টার জন্য গুনতে হবে এক লাখ টাকা। সেই সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। ভূমিতে প্রতি ঘণ্টার জন্য চার্জ ৫ হাজার টাকা। যোগাযোগ- ইমপ্রেস অ্যাভিয়েশন লিমিটেড ৪০ শহীদ তাজউদ্দীন সরণি, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন: ০১৭২৯২৫৪৯৯৬
আরো যাদের বাণিজ্যিক ব্যবহারের হেলিকপ্টার আছে
পিএইচপি গ্রুপ, বাংলা ইন্টারন্যাশনাল, বিআরবি কেব্ল্, মেঘনা গ্রুপ, ইয়াং ইয়াং (আরিয়ান) গ্রুপ, এমএস বাংলাদেশ প্রভৃতি।সাধারণ নীতিমালা
সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আবেদনের সময় হেলিকপ্টার চার্জের ৫০ ভাগ পরিশোধ করে বাকি টাকা পরিশোধ করতে হয় হেলিকপ্টার উড্ডয়নের আগে। হেলিকপ্টার উড্ডয়নের ৪৮ ঘণ্টা আগে সিভিল এভিয়েশনকে জানাতে হয়। কারণ হেলিকপ্টারের নির্দিষ্ট কোনো রুট নেই। এ কারণে কোনো হেলিকপ্টার আকাশে উড্ডয়ন করলে টাওয়ারকে প্রস্তুত রাখতে হয়, যাতে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। তবে জরুরি হলে ৫, ১০, ১৫ মিনিট এমনকি এক ঘণ্টার মধ্যেও অনুমতি দেওয়া হয়।---(collected)

Monday, 31 August 2015

English Learning : Create Your Blog with Blogger

Sunday, 30 August 2015

দুইটি ফেসবুক ও ইমেইল অ্যাকাউন্ট একই ব্রাউজারে ব্যবহার করার সহজ কৌশল !!

 সম্পূর্ণ নতুন একটি ট্রিক্স নিয়ে আজ আবারও হাজির হলাম আপনাদের মাঝে। আমাদের অনেকেরই ইমেইল কিংবা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট একের অধিক। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন কাজের জন্যে দুইটা ইমেলই এক সাথে খুলতে হয়।কিন্তু একই সময়ে একাধিক অ্যাকাউন্টে ঢোকা (লগইন) সহজ নয়। অনেকেই একটি অ্যাকাউন্ট থেকে বেরিয়ে (লগ-আউট) করে অন্য অ্যাকাউন্ট লগইন করে থাকেন। আবার সুবিধার জন্য আলাদা ব্রাউজার ব্যবহার করেন।

মজিলা ফায়ারফক্স বা গুগল ক্রোম থেকে একাধিক আলাদা অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবেন
  
চাইলেই এখন মজিলা ফায়ারফক্স বা গুগল ক্রোম থেকে একাধিক আলাদা অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবেন।  আজ আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে দুইটি অ্যাকাউন্ট একই সাথে খোলা রাখবেন একটি ব্রাউজারে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে করা যায় এই কাজটি।

যেভাবে দুইটি অ্যাকাউন্ট একটি ব্রাউজারে ব্যবহার করবেনঃ


বর্তমানে প্রায় সব ব্রাউজারে ‘প্রাইভেট ব্রাউজিং’ নামে একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য যুক্ত থাকে। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে একাধিক আলাদা ই-মেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে পারবেন একই সময়ে। সে ক্ষেত্রে ব্রাউজার তার মুড পরিবর্তন করে এবং কোনো ঠিকানা, কুকি, হিস্ট্রি বা ক্যাশ সংরক্ষণ করে না।

 গুগল ক্রোম ব্রাউজারের জন্যঃ


ব্রাউজার চালু করে প্রথমে যেকোনো ই-মেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করুন। এরপর দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট লগইন করার জন্য Ctrl + Shift + N একসঙ্গে চেপে ইনকগনিটো মুড খুলুন। অথবা ক্রোম ব্রাউজারের ওপরের ডান পাশে মেনু থেকে New incognito Window-তে ক্লিক করলেই হবে। এখানে পরের অ্যাকাউন্টটি লগইন করে নিতে পারবেন। তাহলে এক ব্রাউজার থেকে একসঙ্গে দুটি অ্যাকাউন্টেই ঢোকা যাবে।

ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্যঃ


মজিলা ফায়ারফক্স চালু করে প্রথমে যেকোনো ই-মেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করুন। এবার File মেনু থেকে New Private Window খুলুন অথবা CTRL + SHIFT + P চেপেও খুলতে পারেন। এটি সক্রিয় হয়ে গেলে এখানের অ্যাড্রেস বারে ঠিকানা লিখে অন্য যেকোনো ই-মেইল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন করতে পারবেন।

খুব সহজেই এবার আপনি আপনার একাধিক  অ্যাকাউন্ট একই ব্রাউজারে ব্যবহার করতে পারবেন।আজ এখানেই লগ আউট করছি। নতুন কোনো ট্রিক্স নিয়ে আবারও হাজির হবো আপনাদের মাঝে। ততোক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকুন এবং আমাদের সঙ্গেই থাকুন।  --(Collected)

ব্যাটারির যত্ন এবং চার্জ সংরক্ষণে যা যা করনীয়ঃ

আমরা অনেকেই ল্যাপটপে অনেকক্ষন ধরে কাজ করতে অভ্যস্ত। কিন্তু ল্যাপটপ কেনার কয়েকমাস অতিবাহিত হওয়ার পরই ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ব্যাকআপ দেওয়া কমে যায়। এর ফলে অনেকক্ষণ চার্জে লাগিয়ে রেখে কাজ করতে হয়। এর জন্যে অনেকেই খুবই বিব্রত। আজ আমি আপনাদের ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ এবং যত্ন নেওয়ার খুব সহজ কিছু উপায় বলবো। এর ফলে ব্যাটারির হবে দীর্ঘস্থায়ী এবং চার্জও থাকবে অনেকক্ষণ। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক উপায় গুলো কি কি -


ব্যাটারির চার্জ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ অবশিষ্ট থাকলে তখনই এটি চার্জ করে নেওয়া ভালো। ল্যাপটপের চার্জের স্তর ১০০% হলে ব্যাটারি চার্জ নেওয়া বন্ধ করে সরাসরি বিদ্যুৎ থেকে শক্তি নিয়ে চলতে থাকে।ল্যাপটপের ব্যাটারি পুরো চার্জ করে কমপক্ষে ২ ঘণ্টা সময় দিয়ে ব্যাটারিকে ঠান্ডা করে নিন।
  • পুরোপুরি (ফুল) চার্জ হয়ে গেলে বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে চার্জার খুলে নিয়ে ব্যাটারি থেকে ল্যাপটপ চালান। সব সময় চার্জার যুক্ত করে রাখা ঠিক নয়, এতে অতিমাত্রায় গরম হয়ে ব্যাটারি তার কর্মক্ষমতা হারায়।
  •  দুই ঘণ্টা পর আবার ল্যাপটপ চালু করে ডেস্কটপের ডান পাশে নিচে ব্যাটারির আইকনে ডান ক্লিক করে Power Option চালু করুন। এখানে পাওয়ার প্ল্যান থেকে Balanced (recommended)-এর Change plan settings-এ ক্লিক করুন। আবার Change Advanced power settings-এ ক্লিক করে সেটি খুলুন। এবার Battery-তে ক্লিক করে Critical battery action-এর on battery-তে Hibernate নির্বাচন করে দিন। এটি আগে থেকেও করে দেওয়া থাকতে পারে। তখন নতুন করে আর করার দরকার নেই। Critical battery level-এর on battery এবং Plugged in-এ ৫% নির্ধারণ করে দিন।
  •  কম্পিউটার হাইবারনেটে চলে যাওয়ার আগেই অন্য যেকোনো কাজ করে ব্যাটারির চার্জকে নিঃশেষ করে নিন। হাইবারনেট বিশেষ পাওয়ার সংরক্ষণ সুবিধা আছে। কাজ শেষে কম্পিউটার বন্ধ হলে ঘণ্টা খানেক পর আবারও চার্জ করে ব্যবহার করুন।
  •  উইন্ডোজ ভিস্তা এবং ৭ অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ছবিভিত্তিক আবহ ও থিম ব্যাটারির স্থায়িত্ব কমায়। তাই যাঁদের ল্যাপটপে চার্জ কম থাকে, তাঁরা Windows 7 Basic Theme থিম ব্যবহার করুন। এটি ডেস্কটপে ডান ক্লিক  করে Personalize-এ পাওয়া যাবে।
  • চার্জ হচ্ছে এমন অবস্থায় কখনোই গেমস খেলা বা বেশি শক্তি লাগে এমন কোনো কাজ করবেন না। স্ক্রিন সেভার বেশি চার্জ খরচ করে। তাই এটি বন্ধ রাখুন।ল্যাপটপের সিডি বা ডিভিডি ড্রাইভে অযথা কোনো ডিস্ক রাখলে ডিস্ক ঘোরার সময় চার্জ খরচ হয় বেশি।
আপনি যদি ল্যাপটপের ব্যাটারি চার্জ অথবা ব্যাটারির যত্ন নিতে চান তাহলে অবশ্যই এই নিয়ম গুলো মেনে চলুন।এতে করে ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জও অনেক বেশি সময় থাকবে এবং ব্যাটারির যত্নও নেওয়া হবে।  --(Collected)

--take care of your self & your gadgets

Monday, 17 August 2015

ফোল্ডার মার্কার


আসসালামু আলাইকুম.কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন.
রঙিন করে নিন আপনার পিসির ফোল্ডারগুলো, মজার একটি সফটওয়ার. সফটওয়ারটি যারা আগে ব্যবহার করেননি তারা এখন ব্যবহার করে দেখুন, মজা পাবেন 100%. পিসির ফোল্ডার গুলোর একই কালার বার বার দেখতে দেখতে আর ভাল লাগেনা !!! তাই যদি ফোল্ডার গুলো রাঙিয়ে নেওয়া যায় তাহলে কেমন হয় বলুনতো? আজ আমি এই রকম ই দুটি সফটওয়্যার দেব যার দ্বারা আপনারা আপনাদের ফোল্ডার বিভিন্ন রঙ এ তো রাঙ্গাতে পারবেই সাথে বিভিন্ন সংখার আইকন এবং আরও আনেক কিছু. এর আগেও অনেকে অনেক এই রকম সফটওয়্যার দিয়েছে কিন্তু আমি অন্তত এইওটুকু বলতে পারি এগুলার মত আর একটাও নয়.
নিচে স্ক্রীনশুট
মার্কার
দুটাই ভাল এবং আলাদা আলাদা আইকন আছে.

ফোল্ডার মার্কার 1 

আকার: 7.1 মেগাবাইট

ফোল্ডার মার্কার ২ 

আকার: 7.1 মেগাবাইট
(. ডাউনলোড করার জন্য ফায়াফক্স ব্যবহার করুন. কেউ ডাউনলোড করতে না পারলে প্লিস নেগেটিভ টিউমেন্ট করবেন না.)

মূল বৈশিষ্ট্য:

  • ফোল্ডার মার্কার প্রো আপনার অফিসে ব্যবহার করার অধিকার আছে
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো পরিবর্তন করতে পারে নেটওয়ার্ক ফোল্ডার আইকন. তাই আপনি যদি আপনার ল্যান কাস্টমাইজ করতে পারেন
  • অতিরিক্ত আইকন অফিসের কাজে ফোল্ডার মার্কার প্রো রয়েছে
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো আপনি করতে পারবেন 'চিহ্নিত করুন ফোল্ডার' পপআপ মেনু পরিবর্তন আপনার নিজের প্রয়োজনের জন্য আপনি এটা কাস্টমাইজ করতে পারেন
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো ফোল্ডার আইকন পরিবর্তন জন্য দুটি অতিরিক্ত বিকল্প উপস্থিত রয়েছে: "সব ​​সাবফোল্ডার নির্বাচিত আইকন ব্যবহার করা হবে" "বণ্টনযোগ্য কাস্টমাইজড ফোল্ডার তৈরি করুন" (পোর্টেবল) এবং
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো দ্বারা ফোল্ডার চিহ্নিত করতে পারেন অগ্রাধিকার দ্বারা (উচ্চ স্বাভাবিক, কম), সম্পূর্ণ কাজ ডিগ্রী (কাজ, অর্ধকৃত পরিকল্পিত,) কাজ অবস্থা দ্বারা, (অনুমোদিত, মুলতুবি হয়েছে, বাতিল) এবং দ্বারা তথ্য প্রকার অন্তর্ভুক্ত একটি ফোল্ডার (কাজ ফাইল, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, টেম্প ফাইল, ব্যক্তিগত ফাইল).
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো পারেন একটি ফোল্ডার এর রঙ পরিবর্তন, স্বাভাবিক অন্ধকার এবং আলো যুক্তরাষ্ট্র
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো পরিবর্তন ফোল্ডার একটি পপ-আপ মেনু মধ্যে থেকে আইকন ফোল্ডার. একটি ফোল্ডার চিহ্নিত করার জন্য, এমনকি প্রোগ্র্যাম চালাতে আপনাকে প্রয়োজন হবে না!
  • ফোল্ডার চিহ্নিতকারী এর পপআপ মেনু সুবিধাজনক বিভাগ রয়েছে সাবমেনু .
  • ফোল্ডার মার্কার প্রো একটি রয়েছে ব্যবহারকারী আইকন ট্যাব আপনি একটি যোগ করতে পারেন যেখানে সীমাহীন তাদের সঙ্গে ফোল্ডার আপনার পছন্দের আইকন পরিমাণ এবং চিহ্নিত. এটা সহজ!