অজানাকে জানার লক্ষে...

Wednesday, 13 May 2020

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ঈদের ছুটির পরে আবারও ফ্লাইট শুরু করার পরিকল্পনা করছে



সিএএবি স্বাস্থ্য বীমা দাবি করছে।

 
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ  ও পর্যটন মন্ত্রণালয়  ঈদের ছুটির পরে আবারও ফ্লাইট শুরু করার পরিকল্পনা করছে।

কোভিড -১৯-এর কারণে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় বিমান সংস্থাগুলিকে সহায়তা করার জন্য বিমান সংস্থা ও অ-অ্যারোনটিক্যাল উভয়ই শুল্ক মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ নাগরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) সাথে বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলেন, "আমরা মূলত দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি - কীভাবে আমাদের বিমানপথকে সমর্থন এবং বর্তমান পরিস্থিতিটি কাটিয়ে উঠতে পারি।"

“আমরা ঈদের ছুটির পরে ফ্লাইট পরিচালনা করার কথা ভাবছি, তবে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং জীবাণুনাশক সরঞ্জাম স্থাপন করতে হবে। অন্যান্য দেশও স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুসরণ করে বিমান চালানোর পরিকল্পনা করছে। ”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "বিমানের কার্যক্রম অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং বিমান সংস্থার স্বার্থের উপর নির্ভর করে, তবে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।"

বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব মহিবুল হক বলেছেন: “আলোচনার পরে আমরা অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক উভয় বিমানবন্দরগুলির জন্য অ্যারোনটিকাল এবং অ-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জ্বালানি মওকুফও এটার  অন্তর্ভুক্ত।

"আন্তর্জাতিক বাজারে জেট জ্বালানির দাম হ্রাস পেয়েছে, তাই আমরা আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনা করার জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব জমা দেব," তিনি আরও বলেছেন

মহিবুল আরও বলেছিলেন: “৩০ শে মেয়ের মধ্যে কীভাবে পুরো বিমানবন্দরটিকে জীবাণুমুক্ত করা যায় সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি, সুতরাং বিমানবন্দরটি বিমান চালনার জন্য উপযুক্ত হবে। অন্যান্য দেশের বিমানবন্দরগুলিও ভাইরাস মুক্ত রয়েছে যাতে যাত্রীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে। "

বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব আরও উল্লেখ করেছেন যে বিমান সংস্থাগুলি আর্থিক সমস্যা নিয়ে সহায়তা করার জন্য সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিচ্ছে।

“সরকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিচ্ছে এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যেতা গ্রহণ করেছে । যে কোনও এয়ারলাইন্সের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হলে তারা প্রণোদনা প্যাকেজ নিতে পারে, ”তিনি বলেছিলেন।

"আমরা মূলত অবতরণ, পার্কিং এবং আবাসন, বোর্ডিং ব্রিজ ফি, সুরক্ষা, রুট নেভিগেশন সুবিধার চার্জ, ওভারফ্লাইং, জ্বালানির দাম হ্রাস এবং অপারেটিংয়ের অপেক্ষাকৃত ঘন্টা ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য বিমানের চার্জ ইত্যাদির উপর ছাড় দিচ্ছি," অ্যাভিয়েশন সেক্রেটারি মহিবুল যোগ করেছেন হক।

সরকারের কাছ থেকে বরাদ্দ পাওয়ার পরে, চূড়ান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত শীঘ্রই একটি গেজেটে প্রকাশ করা হবে, তিনি যোগ করেন।


সিএএবি বিমান সংস্থাগুলির, স্বাস্থ্য বীমার সহায়তার দাবি জানিয়েছে

বৈঠকে সিএএবির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মাফিদুর রহমান কীভাবে অন্য দেশগুলি বিমানবন্দরগুলিতে এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন চার্জের জন্য ফ্লাইট পুনরায় চালু করার এবং মওকুফের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সিএএবি চেয়ারম্যান বলেন, "আমরা দেশীয় অ্যারোনটিক্যাল চার্জের জন্য সম্পূর্ণ ওয়েভিয়ার এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলির জন্য ৫০% প্রস্তাব করেছি।"

তিনি আরও যোগ করেন যে অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, চীন, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অন্যান্য দেশগুলি তাদের এয়ারওয়েগুলির জন্য বিশেষ উদ্দীপনা প্যাকেজ বরাদ্দ করেছে।

সিএএবি চেয়ারম্যান বলেন, "আমাদের বিমান সংস্থাগুলি সমর্থন করতে হবে যাতে তারা বিমান চালাতে পারে।"

তিনি আরও বলেছিলেন: “আমরা করোনাভাইরাস ফ্রন্ট লাইনে কাজ করার জন্য সরকারী স্বাস্থ্য বীমা দাবি করি, যাতে কোনও কর্মকর্তা যদি আক্রান্ত হয় বা মারা যায় তবে তারা আর্থিক সহায়তা পাবে।

“আমাদের কর্মীরা সীমান্তে কাজ করার ঝুঁকিতে পড়বে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে অন্যান্য খাতের কর্মীদের বরাদ্দ দিয়েছেন। আমাদের স্বাস্থ্য বীমা এবং আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন কারণ আমরাই প্রথম আক্রান্ত রোগী পেয়েছি এবং বিমানবন্দরে লোকজনকে জীবাণুমুক্ত করবো, ”তিনি যোগ করেছেন।

১৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোন ভাইরাস নিয়ে লড়াইয়ে প্রাণ ঝুঁকছেন এমন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, ফিল্ড অফিসার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি এবং অন্যান্য সরকারী কর্মচারীদের জন্য বীমা জন্য ৭৭০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছেন। পৃথিবীব্যাপী.



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ফাইল ছবি।


Monday, 11 May 2020

COVID-19 মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে ছোট হয়ে যাচ্ছে বিমান বহর


COVID-19 মহামারীর  কারণে এয়ার ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রিতে প্যাসেন্জারদের নিম্নমুখী চাহিদা বিশ্বজুড়ে  সমস্ত এয়ারলাইনসকে তাদের বহর এবং অপারেশনাল কার্যক্রম সীমিত করতে বাধ্য করেছে। কিছু এয়ারলাইনস  তাদের এয়ারক্রাফটগুলিকে স্টোরেজ সাইটে ফেলে রাখছে এবং কিছু সরাসরি অবসরে পাঠিয়ে দিয়েছে।  চলুন দেখা যাক কোন কোন এয়ারলাইন্স তাদের কোন কোন এয়ারক্রাফট গুলোকে অবসর গ্রহণের জন্য প্রেরণ করে

Lufthansa

COVID-19 মহামারীর  কারণে এপ্রিলের শুরুরদিকে বিশ্বজুড়ে নিম্নমুখী চাহিদার কারণে  Lufthansa তাদের পরিকল্পনা ঘোষণা করে ।  
 
All A340-600 
Six Airbus A380
Five Boeing 747-400

Lufthansa Cityline তাদের বহর থেকে তিনটি Airbus  A340-300 তুলে নেয় Airbus  A340-300  

Lufthansa CEO, কার্স্টেন স্পোহর ঘোষণা দিয়েছিলেন যে COVID-19 এর পরে বিমান সংস্থাটি আরও ছোট হবে এবং প্রায় 100 বিমানের মাধ্যমে বহরের আকারকে হ্রাস করবে।

 Eurowings পরিচালিত short-hlou ফ্লাইট এর ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দশটি Airbus A320 পর্যায়ক্রমে বাদ দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে 
KLM

গত মাসে কেএলএম বোয়িংয়ের সমস্ত বহরে রিটায়ার্ড 747-400  অবসর দিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে, এয়ারলাইনস 2021 সালে এই জাতীয় বিমানের অবসর গ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছিল।  তবে কোভিড -19-এর কারণে, কোনো ঘোষনা ছাড়াই এয়ারক্রাফট গু লোকে অপারেশনে নিয়ে আসা হয়। 

বর্তমানে, তিনটি KLM7 747-400Ms (PH-BFT, PH-BFV এবং PH-BFW) কেবলমাত্র কার্গো ফ্লাইটে সাংহাইয়ের ফ্লাইট চালিয়ে যাচ্ছে।
Air France

ফরাসি সংবাদপত্র লা ট্রিবিউনের সাথে একটি সাক্ষাত্কারের সময়, এয়ার ফ্রান্সের সিইও বেন স্মিথ নিশ্চিত করেছেন যে তিনি Airbus A380  গুলোকে বহরের বাইরে রাখার প্রত্যাশা করছেন।

জানুয়ারিতে আয়ারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে শেষ ফ্লাইট পরিচালনা শেষে A380 গুলোকে বহর থেকে বাদ  দেয়া হয় ,তারপর এয়ার ফ্রান্স ফ্রান্সের তারবেস বিমানবন্দরে দুটি A380 এবং অন্য দুটি স্পেনের টেরুলে প্রেরণ করে।
Air France
Air France


Virgin Atlantic


এই সপ্তাহে, ভার্জিন আটলান্টিক সমস্ত B747-400 এবং চারটি A 330-200 এয়ারক্রাফট এর তাৎক্ষণিক  অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।
 24 শে মার্চ এয়ারলাইনস তার সর্বশেষ A340-600 (G-VWIN) অবসর নিয়েছে। শেষ তিনটি বিমান বোর্নেমাউথ বিমানবন্দরে গিয়েছিলো এবং তাদের দুটি(G-VNAP এবং G-VWIN); ইতিমধ্যে Maleth-আয়ের নামে একটি নতুন মালিক  পেয়েছে।


IAG Group

IAG Group, যা British Airways এবং Iberia এর মাদার কোম্পানি, BA B747 এবং আইবেরিয়ার A340 এর সম্ভাব্য অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।
British Airways
British Airways


American Airlines

American Airlines আনুষ্ঠানিকভাবে Embraer E190, বোয়িং 757 এবং বোয়িং 767 বহরকে অবসর দিয়েছে, যা মূলত ২০২০ সালের মধ্যে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বিমান সংস্থাও তাদের এয়ারবাস A 330-300 এর অবসরকে ত্বরান্বিত করেছে। অতিরিক্ত হিসাবে, আমেরিকান পিএসএ এয়ারলাইনস দ্বারা পরিচালিত 19 Bombardier CRJ200 বিমান অবসর নিচ্ছে।

Delta
Delta MD-88 এবং MD-90  বিমানটি পূর্বে পরিকল্পনার চেয়ে আগে অবসর নেবে, উভয় বিমানের ধরণটি ২০২০ সালের জুনে কার্যকর বহর থেকে বেরিয়ে আসবে।
Deta
Deta

Air Canada

এয়ার কানাডা তাদের বহর থেকে Boeing 767, Airbus 319 এবং Embraer 190 বিমান সহ ৭৯ টি পুরানো বিমানের অবসরকে ত্বরান্বিত করছে।
Air Canada
Air Canada


Air Transat

মার্চ শেষে, Air Transat C-GSAT রেজিস্ট্রেশন সহ তাদের শেষ A 310 অবসর নেয়। পর্তুগালের পোর্তো থেকে Air Transat  প্রত্যাবাসন ফ্লাইট TS 765 যা 30 মার্চ হ্যালিফ্যাক্স হয়ে টরন্টো পৌঁছেছিল।

শেষ ফ্লাইটটি 27 এপ্রিল কুইবেক থেকে প্যারিস এবং ফিরে যাওয়ার নির্ধারিত ছিল।
Air Transat
Air Transat

Austrian Airlines

গত মাসে অস্ট্রিয়ান এয়ারলাইনস এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছিল, তারা বহরের phase-out শুরু করবে; 2022 অবধি সমস্ত সাত A319 এর ছয়টি B767-300 এর অবসর এবং তারপরে Dash 8 বহর অন্তর্ভুক্ত।
Austrian Airlines
Austrian Airlines


Singapore Airlines

According to RoutesOnline, Singapore Airlines will be pushing forward the retirement of their B777-200/ER. A few of them are now parked in Alice Springs, NT, Australia.
RoutesOnline অনুসারে, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস তাদের B 777-200ER অবসর গ্রহণের দিকে এগিয়ে চলেছে। তাদের মধ্যে কয়েকটি এখন অস্ট্রেলিয়ার Alice Springs, NT এ পার্ক করা আছে।

Singapore Airlines
Singapore Airlines




Sunday, 21 April 2019

How to Convert Numeric Values to English Words in Excel (Currency Taka/Paisa)


Sometimes we suffer huge to convert numeric values to English words while using Excel. you can try bellow simple steps to make it simple.


Steps:

1. Open Excel File
2. Press Ctrl+F11
3. Go to "Insert" Menu & click on "Module"
4. Get the desired codes by clicking bellow Links & Pest it to the module
5. Click on "Save" button & Click on "No" Button in the new window
6. Save the file to your desired location, selecting file type as "Excel Macro-Enabled Workbook"
7. Press "Ctrl+Q"
8. Then write the formula to the desired cell Like: =SpellNumber(K20)
9. Input any number to the cell number (K20) and press "Enter" to see the result



1. Open Excel File

2. Press Ctrl+F11

3. Go to "Insert" Menu & click on "Module"



4. Get the desired codes by clicking bellow Links & Pest it to the module


5. Click on "Save" button & Click on "No" Button in the new window

6. Save the file to your desired location, selecting file type as "Excel Macro-Enabled Workbook"7. Press "Ctrl+Q"

8. Then write the formula to the desired cell Like: =SpellNumber(K20)


9. Input any number to the cell number (K20) and press "Enter" the see the result


Links:
Click here to get Codes For For the Currency Dollar & Cents

Click here to get Codes For the Currency Taka & Paisa

Number To Word- Excel File For Check

Saturday, 29 July 2017

This page is under construction...

এই পেইজটি প্রস্তুত করা হচ্ছে, সঙ্গেই থাকুন ।

Thursday, 11 August 2016

অনলাইল শপ তৈরির জন্য ছোট খাটো নোট

অনলাইল শপ তৈরির জন্য ছোট খাটো নোট
Collected from Nazmul Sakib Arab (Fabricloud Apparels)

 Courtesy by Fabricloud Apparels
-------------------------- অনলাইন শপ করার কথা অনেক দিন ধরে হয়তো মাথায় রেখেছেন কিন্তু কিভাবে কি করবেন এখনো সিউর হতে পারেন নি হয়তো। তাই আপনাদের জন্য লিখা টা হয়তো কোন অংশে কাজে দিলেও দিতে পারে। আমি পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিখার চেষ্টা করছি সংক্ষেপে এরপরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করলেই হবে। যা যা লাগবে- ১. কি দিয়ে শুরু করবেন। ২. পেজ কখন খোলা দরকার। ৩. বাজেট কত হওয়া উচিত। ৪. প্রোডাক্ট কোথায় পাবে। ৫. ডেলিভারি কি করে দেবেন। ৬. স্পন্সর কি করে দেবেন। ৭. পরিচালনা (গুরুত্বপূর্ণ) ।
 Courtesy by Fabricloud Apparels
 Courtesy by Fabricloud Apparels
(বিজনেস ডিল)- আপনি হয়তো ভাবছেন আমি এই ব্যপারে কিছু জানি না। প্রথমেই যেটা ভাবুন, কি নিয়ে আপনি শুরু করতে চাচ্ছেন। অনলাইন এ হাজার হাজার শপ আছে, যারা রেগুলার তাদের কে সি ফাস্ট দিয়ে রাখুন। দেখুন ওরা কি নিয়ে কাজ করছে। যেই জিনিস এর ট্রেন্ড কম চালু আছে সেটা নিয়ে শুরু করতে পারেন। . - পেজ খুলার জন্য ফেসবুকের Create page অপশন গিয়ে, একেবারেই প্রথম ঘর টিতে ক্লিক করে, সেখান থেকে পেজের কেটাগরি পাবলিক বিজনেস সিলেক্ট করে, না ঠিকানা দিয়ে পেজ খুলবেন তাহলে আপনি ফেসবুক এর রিভিও অপশন টি পাবেন আর না হয় পাবেন না। আপনার প্রোডাক্ট রেডি হওয়ার ৫ দিন আগে থেকে পাবলিসিট করতে পারেন। এর আগে পেজ খুলে দরকারের বাইরে কোন কিছু পোস্ট করলে সেটা যদি ভিউয়ার লাইক না করে তাহলে ফেসবুক এর নিয়ম অনুযায়ী আপনার পেজের কোন পোস্ট আর সেই ভিউয়ার নিউজ ফিড এ যাবে না। . - আপনার কত টাকা নিয়ে নামলে হবে সেটা নিয়ে থমকে যান হয়তো। আসলে সেটা ১০ হাজার দিয়েও শুরু করা সম্ভব। আরো কমে অনেকেই করেছেন হয়তো।। আমি নিজেই করেছিলাম। ২ মাস এর মাথায় আমার মাসে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার সেল হয় , :) (আলহামদুল্ললিলাহ) . - প্রোডাক্ট কোথায় পাবেন সবচেয়ে বড় কথা। প্রথম কথাই হচ্ছে আপনাকে অমানুষিক খাটতে হবে আপনার পেজের জন্য। এমন কোয়ালিটির প্রোডাক্ট দিতে হবে যেন যেটা মার্কেটে দাম বেশি এবং আপনার থেকে খারাপ কোয়ালিটি মেইন্টেইন করে । কোয়ালিটির উপরে কোন ওষুধ নাই এই লাইনে। কাপড় রিলেটেট যদি কোন প্রোডাক্ট হয় সে ব্যপারে সম্পূর্ন আমি সহয়তা করবো। আমার নিজের ই বাইং হাউজ আছে, ফেক্টরি আছে। যদি কোন কাপড় দিয়ে শুরু করতে চান সে ব্যপারে ফটোগ্রাফি থেকে শুরু করে পাবলিশিং এর দায়িত্ব আমি নিজেই করে দি। আর যদি কসমেটিক বা অন্য সামগ্রি হয় তাহলে নির্ধারিত গ্রুপে হেল্প চেয়ে পোস্ট করুন। তবে যা করেন অবশ্যই কোয়ালিটি ফাস্ট। স্টক লট কিনা থেকে বিরত থাকবেন কেনন এগুলো ক্লাসি কাস্টমারদের কে দেয়া যাবে না বলেই নাম স্টকলট। . - আপনি হয়তো বাসায় বাসায় গিয়ে দিতে পারবেন না প্রোডাক্ট গুলো, যদি আপনার কোন প্রবলেম না থাকে। সেক্ষেত্রে অনেক কুরিয়ার সার্ভিস আছে যারা ৫০-৭০ টাকার মধ্য কাস্টমারের বাসায় প্রোডাক্ট পৌঁছে দেয়। এক্ষেত্রে ওরা আপনার বাসায় এসে প্রোডাক্ট নিয়ে যাবে আবার বাসায় টাকা দিয়ে যায়। শুধু ওদের ওয়েভ এ ঢুকে রেজিষ্ট্রেশন করলেই হয় ফ্রি। ecourier.com আপনার কাজে লাগতে পারে( আরো আছে এমন)। ঢাকার বাহিরের পন্যের ক্ষেত্রে আপনি এস.এ পরিবহনে গিয়ে দিয়ে আসতে পারেন এক্ষেত্রে কাস্টমার এর প্রোডাক্ট এস.এ পরিবহনের শাখা থেকে এসে কালেক্ট করতে হয় নিজ নিজ এলাকার। যদি ভেবে থাকেন তাহলে কি ওরা কষ্ট করে এসে নেবে? আসলে নেয় ওরা। সবচেয়ে বেশি বিজনেস আপনার ঢাকার বাহিরেই হবে, এক্ষেত্রে এস.এ পরিবহনের সাথে কোন ধরনের চুক্তি করা লাগে না। আপনি আপনার পার্সেল নিয়ে ওদের কাছে যাবেন অবশ্যই চালান সহ (না থাকলে মাইক্রোস্ট ওয়ার্ডে গিয়ে একটা ডাউনলোড করে নিন অনেক আছে, না পেলে নক দেবেন আমাকে)। বুকিং এর খরচ ওরা ১০০ টাকা রাখবে। প্রোডাক্ট রিসিভ হলে আপনি ওদের কাছ থেকে ফোন পাবেন টাকা রিসিভ করার জন্য। আর যারা প্রোডাক্ট নেবে না সেটা ফ্রি তে রিটার্ন চলে আসবে। (ওরা প্রোডাক্ট হেম্পার করে না) . - সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট পার্ট। বোরিং হয়েন না,একটু মনোযোগ দিন। স্পন্সর ছাড়া আপনি এই লাইনে দরিদ্র। ফেসবুক স্পন্সর হচ্ছে টাকার বিনিময়ে আপনার প্রোডাক্ট টি অন্য কারো নিউজফিড ই পৌঁছে দেয়া। বলতে পারেন কাইন্ড অফ রাস্তার বিল বোর্ড আর কি। এজন্য আপনার একটি মাস্টার কার্ড লাগবে। যাদের ক্রেডিট কার্ড আছে ভালো আর যাদের নেই তারা bdcard.co.uk এই ওয়েবসাইট থেকে ২৫০০ টাকা বিকাশ এ রিজার্জ করে একটি কার্ড করে নেবেন। টাকাটি ওরা ডলার করে আপনার একাউন্টে যোগ করে দেবে। ৩ দিনের মধ্য আপনাকে ওরা একটা কোড আর আইডি দেবে যেটা দিয়ে আপনি স্পন্সর করতে পারবেন। কিন্ত আপনার এই কার্ডে মাসে ৬৪ ডলার এর বেশি খরচ করতে পারবেন না। ওদের অনেক লিমিটেশন আছে। আর কার্ডে মাস শেষে একেবারে আপনার সব স্পন্সর এর টাকা কাটে আলাদা আলাদা করে চার্জ করা হয় না। সেক্ষেত্রে ৮২ টাকা করে হিসাব করে নিজ দায়িত্বে খরচ করবেন, টাকা শেষ হওয়ার পর্যায়ে এলে বিকাশে ওদের এজেন্ট নাম্বার এ টাকা দিয়ে আবার রিচার্জ করে নিন। . - সবশেষে পরিচালনা। আর একটু বাকি পড়েন এটুকু আরো ইম্পর্টেন্ট। আপনি এক্সেল এ একটা ফাইল তৈরি করবেন যেখাবে কাস্টমারের নাম, নাম্বার, ঠিকানা, প্রোডাক্ট, ডেলিভারি ডেট, সেলিং প্রাইস এই টাইপের কিছু ঘর করে যেখানে কাস্টমারদের সব ইনফরমেশন গেদার করতে পারবেন। বিকল্প আছে অনলাইন সফটয়্যার কিন্তু সেটা আপনার জন্য ব্যয়বহুল। ওডার ঠিক মত নিন, ঠিক মত ডেলিবারি করুন। আর আপনি যেই প্রোডাক্ট টা ফটোশুট করিয়ে স্পন্সর করাবেন চেষ্টা করবেন সেই প্রোডাক্ট টা কমপক্ষে যেন আপনার কাছে ২০ পিস থাকে সেম জিনিস ই। কেননা আপনি যখন প্রোডাক্ট স্পন্সর দেবেন অথচ একটু পরেই প্রোডাক্ট আউট অফ স্টক অতচ তখনো সেম জিনিসের অর্ডার নিচ্ছেন না সেক্ষেত্রে টেকনিকালি আপনার লস কেননা আপনার ব্যাকরাউন্ডে স্পন্সর রানিং, আর ৫ ডলার এ ভালো প্রোডাক্ট এমনেতেই ২০ টা সেল হয় ই। (কারও ফটোগ্রাফি নিয়ে ধিদা থাকলে গ্রুপে পোস্ট কিংবা আমাকে নক দিলেও হবে আমি করে দেব) পার্টানার ১ জনের বেশি না থাকাটাই শ্রেয় খেয়াল রাখবেন, পেজ কে রেগুলার রাখার চেষ্টা করুন, ঈদে, পুজায়, ছুটিতে পিকচার আপলোড দিয়ে কাস্টমার দের সাথে মিশতে চেষ্টা করুন, কারোও ডেলিভারী ডিলে হলে তাকে ৫% ছাএ দিয়ে দিন। টি-শার্ট গিফ করুন লাকি কয়েক জনকে। (টি-শার্ট বানাতে ১০০ টাকার বেশি খরচ হয় না) । আর কিছু বলার নাই। তবে গত ৬০ দিনের এক্সপিরিমেন্ট এ বলতে পারি। কোয়ালিটি দেবেন মানুষের ভালোবাসা পাবেন, আমার গত ৬০ দিলে ৩৫৯ পিস জিন্স সেল হয়েছে ৮০০ টাকা করে। দিন টু দিন বাড়ছে। তাও মাত্র ২ টা পেন্ট :D এখন কোরবানী ঈদের জন্য পাঞ্জাবির দিকে এগুচ্ছি। পেজ এ ১০০ আইটেম দিয়ে হিজিবিজি করবেন না। একটা নিদিষ্ট টাইম ধরুন প্রতি ৩ মাসে প্রোডাক্ট চেঞ্জ করুন। তাহলে অন্য কেউ হয়তো আপনার পেজ সাজেস্ট করতে পারবে ওই পেজ এ এটা পাবেন। কিন্ত হরেক রকম জিনিস থাকলে ব্যপারটা বিধঘুটে। ধরতে পারেন নেলপালিশ এর দোকানে পাঞ্জাবি সেল করা মানায় না আর কি। . আরো কারো কাছে লাইক ভিক্ষা চাবেন না, নট ইভেন ফেন্ড, স্পন্সর আপনাকে লাইক এনে দেবে, আরো ছোট হোক বড় হোক সবার কাছে সাজেশন চাইবেন, এটাও আপনার পেজের পাবলিসিটি হিসেবে কাজ করবে। (সাজেশন কাজে লাগাতে হবে এমন কোন কথা নেই)। ওয়েবসাইট এর জন্য আপাদত storrea.com এ আপনার প্রোডাক্ট গুলোস ফ্রি ওয়েভ করতে পারবেন, প্রথম অবস্থায় ডোমেইন লাগবে না। আর অনেক সাইট থেকে আপনি কল পাবেন আমরা আপনার প্রোডাক্ট বেচে দেব, একাউন্ট খুলে দেব, আমাদের সাইটে ডেলি ১ লক্ষ ভিজিটর, আপনার সেল হবে, শুধু প্রোডাক্টের ১২% দাম আমাদের দেবেন, একেবারেই সোজা বাংলায় না করে দিন, এদের কথায় গলবেন না, প্রথম অবস্থাই এগুলো কিছু দরকার নাই। . ধন্যবাদ পড়ার জন্য। আর কিছু দরকার হলে কমেন্ট করবেন অথবা মেসেজ করবেন :)For any complain or suggestion message me on here Nazmul Sakib Arab

Wednesday, 27 July 2016

How to Generate QR Code? -কিভাবে QR Code Generate করবেন?

কিভাবে QR Code Generate করবেন?



QR Code

আমরা বিভিন্ন পণ্যে অথবা বিভিন্ন জায়গায় ছোট-ছোট সাদা-কালো বর্গাকৃতির মিশেলে একপ্রকার ছবি দেখতে পাই। যা QR Code নামে পরিচিত।এই QR Code এ বিভিন্ন ধরণের information থাকে যা বিশেষ Scanner বা স্মার্ট ফোনের QR Code Scanner দ্বারা Read করা যায়।  এই Code গুলোতে বিভিন্ন ধরণে Text, URL, Contact Number, Contact Address, Product Description ইত্যাদি দেওয়া থাকে। 

আমরা চাইলে আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেই QR Code তৈরী করতে পারি। তবে দেখা যাক কিভাবে QR Code তৈরী করা যায়?

১. প্রথমে QR Code Generator লিখে Google Seach দিন। অনেক Website পাবেন যারা QR Code ফ্রীতে তৈরী করে দেয়। যেকোনো একটিতে ক্লিক করুন। অথবা এখানে ক্লিক করুন
২. আপনি কোন প্রকারের QR Code তৈরী করতে চান সিলেক্ট করুন। 
৩. ইনপুট Text box এ আপনার আপনার information দিন। 
৪. Create QR Code -এ ক্লিক করুন। দেখুন ডানপাশে আপনার লিখা টেক্সট গুলার QR Code তৈরী হয়ে গেছে। 
৫. এখন Download Button - এ  ক্লিক করে Code - টি Download  করে নিন এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করুন। 



Process -টি ভিডিও তে দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।





Wednesday, 20 July 2016

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন

কোথায় যাবেনঃ ডিএমপির সদর দপ্তরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সেন্টারে সবসময় প্রস্তুত আছে একঝাঁক পুলিশ সদস্য। যারা এ সংক্রান্তে কাজগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বসবাসরত নাগরিকগণ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। ডিএমপি সদর দপ্তর, কক্ষ নং-১০৯, হেল্প লাইনঃ- ০১১৯১-০০৬৬৪৪ এবং ০২-৭১২৪০০০।
প্রদেয় সেবা সমূহঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন থানা এলাকার নাগরিকগণের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ০১ (এক) সপ্তাহের মধ্যে প্রদান করা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’ কর্তৃক সত্যায়িত করে দেওয়া হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রার্থীর চাহিদা মতে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে বাসায় পৌছে দেওয়া হয়।
শুক্রবার ও সরকারী ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ০৯ টা হইতে বিকাল ০৫ টা পর্যন্ত সেবা প্রদান করা হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হলে যা করতে হবেঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বরাবর সাদা কাগজে আবেদন পত্রের সাথে যা যা লাগবে-
পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি (অবশ্যই ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে।) বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা হতে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মুল্যমানের ট্রেজারী চালান। চালানের কোড নাম্বার (১-২২০১-০০০১-২৬৮১)
পাসাপোর্টের স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী ঠিকানা যে কোন একটি অবশ্যই ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার অভ্যন্তরে হতে হবে এবং অবশ্যই ঐ ঠিকানায় অবস্থান করতে হবে।
যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের ফটোকপি সত্যায়িত থাকতে হবে।
মেশিনরিডেবল পাসপোর্টে (এম.আর.পি) যদি ঠিকানা উল্লেখ না থাকে সেক্ষেত্রে, পাসপোর্টে যে স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে তার প্রমাণ স্বরুপ স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার এর সনদ পত্র /জাতীয় পরিচয় পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র এর ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দখিল করতে হবে।
স্পেনে যাওয়ার জন্য যারা- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার আবেদন করবেন তারা সচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বরাবর উল্লেখিত কাগজ পত্র সহ তাদের আবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখা-০৩ এ দাখিল করতে হবে।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর প্রদত্ত টোকেনটি ডেলীভারীর দিন অবশ্যই নিয়ে আসতে হবে।
আবেদন পত্র জমা দেওয়ার এক সপ্তাহ পর অত্র অফিস হতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
যাদের পাসপোর্টে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের ঠিকানা দেওয়া আছে তারা সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার, জেলা বিশেষ শাখা বরাবর উল্লেখিত কাগজ পত্র সহ আবেদন করতে হবে।
(আবেদনের নমুনা কপি)
বরাবর
পুলিশ কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা।
বিষয়ঃ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন।
জনাব
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারীর এই মর্মে আবেদন করিতেছি যে, আমি/ আমার … … … … … … … … … …
এর বিদেশ যাওয়া/ স্থায়ীভাবে বসবাস করার … … … … … … … … … … জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের প্রয়োজন। আমি/আমার … … … … … … … … … …
এর পাসপোর্ট অনুযায়ী বৃত্তান্ত নিম্নরূপ নাম… … … … … … … … … … পিতা/স্বামী … … … … … … … … … … ঠিকানা … … … … … … … … … …পাসপোর্টের নম্বর… … … … … … … … …
ইস্যুর তারিখ… … … … … … … … … … মেয়াদ উর্ত্তীণের তারিখ… … … … … … … … … … ..স্থান … … … … … … … … … …
অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন এই যে, আমি যাতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে পারি তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে মর্জি হয়।
তারিখ-
সংযুক্ত:
১। পাসপোর্টের ফটোকপি (সত্যায়িত)।
২। ব্যাংক চালানের মূলকপি।
বিনীত নিবেদক
… … … … … … … … … …
ঠিকানা:-
ফোন নং…. … … … … … … … … …
তথ্য উৎসঃ ডিএমপি নিউজ

Monday, 18 July 2016

গলফার সিদ্দিকুরের অলিম্পিক যাত্রা

গলফার সিদ্দিকুর রহমান ২য় বাংলাদেশী ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যিনি  অলিম্পিক গেমসের  জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন । গত রবিবার, ১০ জুলাই  ২০১৬  তারিখে  তিনি RIO 2016 গেমসের জন্য চূড়ান্ত তালিকায় ৫৬ তম স্থান অর্জন করেন । ২০১৬ সালের ১১ জুলাইয়ের মধ্যে গলফ রাঙ্কিংয়ে ৬০ এর মধ্যে থাকতে পারলেই সিদ্দিকুর সরাসরি অংশ নেয়ার সুযোগ  পেতেন অলিম্পিক গেমসে।
১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক থেকে নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছে বাংলাদেশ। আগে বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের অলিম্পিকে জায়গা করে নিতে হতো বিশেষ কোটা ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে। এর আগে ১৯৯২ সালে বার্সেলোনা অলিম্পিকে শুটিংয়ের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে কোয়ালিফাই স্কোর করে প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে সরাসরি মূল  পর্বে  অংশ নেন এদেশের কৃতী শুটার কাজী শাহানা পারভীন ।


১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২০ নভেম্বর সিদ্দিকুর রহমানের জন্ম মাদারীপুরে। পারিবারিক নাম মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান। তাঁর বাবা আফজাল হোসেন এবং মায়ের নাম মনোয়ারা বেগম। চার ভাইয়ের মধ্যে সিদ্দিকুর তৃতীয়।  জন্ম থেকেই প্রচন্ড দারিদ্রতার মধ্যে বেড়ে উঠেন তিনি। স্বাধীনতার পরপর বাবা আফজাল হোসেন পুরো পরিবার নিয়ে পেটের দায়ে এসে উঠেছিলেন ঢাকার খানিক বাইরে ধামালকোটের বস্তিতে। সেই বস্তিতে বেড়ে উঁঠতে উঁঠতে সিদ্দিকুর একসময় পাশের বাড়ির এক ছেলের সাথে চলে যান ঢাকাস্থ কুর্মিটোলায় অবস্থিত সেনাবাহিনীর গলফ ক্লাবে। সেখানে 'বলবয়' হিসেবে বল কুড়ানোর কাজ করতে শুরু করেন, তখন তিনি পড়তেন দ্বিতীয় শ্রেণীতে। এভাবে তাঁর সামান্য কিছু আয় হতে থাকে। আর পাশাপাশি কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয় এই খেলার।
একসময় 'বলবয়' থেকে 'ক্যাডি' পদে পদোন্নতি হয় তাঁর। এবারে তিনি খেলোয়াড়দের পেছন পেছন তাদের সরঞ্জাম বহন করার এবং টুকটাক সহায়তা করার সুযোগ পান। আর এভাবে এই খেলার প্রতি তার অনুরাগ জন্মে। তিনি বেতনের জমানো টাকা দিয়ে লোহার দোকানে গিয়ে লোহার রড দিয়ে গলফ ক্লাবের মতো একটা কিছু তৈরি করে নেন। পড়ালেখার পাশাপাশি ক্যাডি'র দায়িত্ব পালন করেও সিদ্দিক তখন তার নতুন লোহার ক্লাব দিয়ে গলফ চর্চা করতেন।
২০০০ সালের দিকে বাংলাদেশের গলফ ফেডারেশনের উদ্যোগে দেশে প্রতিযোগিতামূলক গলফে বলবয়-ক্যাডি হয়ে আসা সুবিধাবঞ্চিত গলফারদের সুযোগ করে দেয়া হয়। সেই সুযোগে কোচের অধীনে শুরু হয় সিদ্দিকুরের  পথ চলা । তাঁর মনোযোগ, আগ্রহ এবং ধৈর্য্য ছিল আর অন্য সবার থেকে অনেক বেশি, যার ফল তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে পেতে থাকেন । সবাইকে আশ্চর্য করে দিয়ে তিনি জিততে শুরু করলেন । একে একে ১২টি অপেশাদার গলফ টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতে ফেললেন সিদ্দিক।
মনোযোগ, আগ্রহ এবং ধৈর্য্য ও অপেশাদার গলফে তাঁর সাফল্য তাঁকে টেনে নিলো পেশাদার গলফের দিকে এবং ২০০৮ সালে শুরু হয় তাঁর পেশাদার গলফের অগ্রযাত্রা । যথারীতি সেখানেও সাফল্য ধরা দেয় সিদ্দিকুরের । ২০০৮  ও ২০০৯ সালে ভারত ও বাংলাদেশ সার্কিটের ৪টি পোশাদার শিরোপা জিতেন সিদ্দিকুর।